ছোটোবেলায় এই করনেশন ব্রীজ এর ওপর থেকে তিস্তার জলে পাথর ফেলার মজার খেলাটা প্রায় নিয়ম হয়েদাঁড়িয়েছিল।ওপর থেকে পড়তে থাকা ছোট্টো পাথরের দিকে পলকহীন তাকিয়ে থাকতাম।ক্রমশ ছোটো হয়ে যাওয়া সেই পাথর একসময় বিন্দু হয়ে মিলিয়ে যেত তিস্তার বুকে।বোঝার চেষ্টা করতাম ব্রীজ আর সবুজ জলের মধ্যবর্তী শূন্যস্থানের গভীরতা।
আজও গিয়ে দাঁড়াই পরিচিত নাম,সেই “বাঘপুল”এর ওপর।কিন্তু ছেলেবেলার সেই মজার খেলাটা আর খেলা হয়না। আজও বোঝা হলোনা মধ্যবর্তী শূন্যস্থানের গভীরতা।
সাধ্যের চেয়ে বেশী ভার বহনে বাধ্য এই সেতু আজ অনেকটাই ক্লান্ত ও জীর্ণ।তিস্তার কানে সে খবর পৌঁছলেও আমাদের অনেকেরই তা অজানা…..অজানা আজও মধ্যবর্তী শূন্যস্থানের গভীরতা।
আজও গিয়ে দাঁড়াই পরিচিত নাম,সেই “বাঘপুল”এর ওপর।কিন্তু ছেলেবেলার সেই মজার খেলাটা আর খেলা হয়না। আজও বোঝা হলোনা মধ্যবর্তী শূন্যস্থানের গভীরতা।
সাধ্যের চেয়ে বেশী ভার বহনে বাধ্য এই সেতু আজ অনেকটাই ক্লান্ত ও জীর্ণ।তিস্তার কানে সে খবর পৌঁছলেও আমাদের অনেকেরই তা অজানা…..অজানা আজও মধ্যবর্তী শূন্যস্থানের গভীরতা।
লেখা – জয়দীপ চন্দ … ‘এবং অরণ্য’
ebongaranya.com info@ebongaranya.com ebongaranya@gmail.com
8334998672 or 8013272494

No comments:
Post a Comment